Skip to main content

Posts

Peaceful Quran Recitation - Surah Al Baqarah (153-157) - Abdel Haddi Oran

সূরা আল বাকারাহ    Peaceful Quran Recitation - Surah Al Baqarah - Abdel Haddi Oran (153-157) যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে মৃত বলনা, বরং তারা জীবিত; কিন্তু তোমরা তা অবগত নও। সূরা বাকারাহ (১৫৩-১৫৭) ভালো কোয়ালিটি ভিডীও পেতে https://youtu.be/JT5Ijqvz4YA
  রমাদান সিরিজ পর্বঃ ০২ ।আলহামদুলিল্লাহ! মাহে রজব! . আবু বকর আল-বাল্কি (রহঃ) খুব চমৎকার একটি উক্তি করেছেন। তিনি বলেন, "রজব হলো বীজ বপনের মাস, শাবান হলো সেচের মাস আর রমাদ্বান হলো ফসল কর্তনের মাস। তিনি আরো বলেন, রজব মাস হলো বাতাস বওয়ার মাস, শাবান হলো সেই বাতাসে মেঘের ঘনঘটার মাস আর রমাদ্বান হলো বৃষ্টি নামার মাস।" (লাতাইফ-আল-মা’রিফ, পৃষ্ঠাঃ ২১৮, আল-মাক্তাবতুল ইসলাম সংস্করণ।) যদি কেউ রজবে বীজ না বপন না করে তাহলে কোথায় সে পানি সেচ দিবে আর কীভাবেই বা তার ফসল পাকবে? . اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْ رَجَبَ وَشَعْبَانَ، وَبَلِّغْنَا رَمَضَان . (হে আল্লাহ! রজব ও শাবানে আমাদের বরকত দিন এবং রমাদান পর্যন্ত আমাদের পৌঁছে দিন)
  রমাদান সিরিজ পর্বঃ ০১ শুরু হয়েছে রজব মাস। এটি হিজরী ক্যালেন্ডারের সপ্তম মাস এবং কুরআনে উল্লেখিত পবিত্র চারটি মাসের মধ্যে একটি। বলা হয়, এ মাসেই ইসরা এবং মিরাজের অলৌকিক ঘটনা ঘটেছিল। তাছাড়া রজব মাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে রামাদান প্রায় দোরগোড়ায় এবং আমাদের সেজন্য প্রস্তুতি নিতে হবে- আত্মিক, মানসিক এবং শারীরিকভাবে। এজন্যই ইমাম তিরমিযী (রহঃ) এর চাচা ইমাম আবু বকর আল-ওয়াররাক আল-বালখি (রহঃ) বলেছেন: ' রজব মাস হলো রোপণের মাস, শাবান মাস সেচ দেওয়ার মাস এবং রামাদান হলো ফসল কাটার মাস।' তাহলে কিভাবে আমরা এই মাসটিকে রমজানের প্রস্তুতির জন্য ব্যবহার করতে পারি? চলুন দেখে নেই। আত্ম-শুদ্ধি কিছু সময় একা কাটান এবং কীভাবে আপনি নিজের ঈমানের উন্নতি করতে পারেন তা চিন্তা করুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন- 'আমি আজ মারা গেলে আল্লাহ ও তাঁর রসূল কি আমার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন?' 'আমি কি ইবাদাত সহ আমার সকল কথা ও কাজে আন্তরিক?' 'আমি কি পরকালের প্রস্তুতির জন্য আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করছি?' ক্ষমা প্রার্থনা এবং দুআ আমরা সকলেই ভুল করি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছ...
  #ভ্যালেন্টাইন_যিনা_বর্জন_করুন মুসলমানরা ক্রমশ ধর্মীয় আচার, অনুষ্ঠান ও বিশ্বাসে দুর্বল হয়ে আসছে এবং বিজাতীদের অনুকরণ ক্রমান্বয়ে বেশী বেশী আরম্ভ করছে। যার অন্যতম ১৪ ফেব্রুয়ারী বা ভালবাসা দিবস। মুসলমানদের জন্য এসব বিদস পালন জঘন্য অপরাধ। অনেক লোক অবচেতনভাবেই এ সকল অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে, অথচ তারা জানেও না, কত বড় অপরাধ তারা করে যাচ্ছে। শিরক ও কুফরে লিপ্ত ব্যক্তিদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে, ধন্যবাদ দিচ্ছে। এভাবে আল্লাহর শাস্তিতে নিপতিত হচ্ছে। মুসলমানদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও কাফিরদের সাথে সম্পর্ক ছেদন হচ্ছে মুসলমানদের একটি বৈশিষ্ট্য। সুতরাং আমাদের উচিত ও কর্তব্য, মুসলমানদের মুহাববত করা, কাফিরদের ঘৃণা করা, তাদের সাথে বৈরীভাব পোষণ করা, তাদের আচার-অনুষ্ঠান প্রত্যাখ্যান করা। এতেই আমরা নিরাপদ, এখানেই আমাদের কল্যাণ, অন্যথা সমূহ ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। কেউ কেউ হয়তো বলবে, আমরা তাদের আক্বীদা-বিশ্বাস গ্রহণ করি না, শুধু আপোষে মুহাববত-ভালবাসা তৈরি করার নিমিত্তে এ দিনটি পালন করি। অথচ এর মাধ্যমে সমাজে অশ­ীলতা ছড়ায়, ব্যভিচার প্রসার লাভ করে। একজন সতী-সাধ্বী পবিত্র মুসলিম নারী বা পুরুষ এ ধরনের নোংরামীর সাথে ...
  হারানো খিলাফত উনিশ শতকের শেষলগ্নে। উসমানীয় খিলাফতের একদম ভঙ্গুর অবস্থা। সেই সময় ফ্রান্স সরকার মুহাম্মাদ ﷺ কে নিয়ে একটি ব্যঙ্গাত্মক নাটক মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা করে। এমনকি ঐ নাটকের টিকেটও বিক্রি করা হয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে উসমানী খিলাফতের সাহসী সুলতান আব্দুল হামিদ খাঁন আস সানি (রাহিমাহুল্লাহ) ফ্রান্স সরকার কে রাসূল ﷺ কে নিয়ে ঐ ব্যঙ্গাত্মক নাটকটি বন্ধ করতে বলে বার্তা পাঠান। উত্তরে ফ্রান্স সুলতানকে তাদের দেশের মত প্রকাশ করার স্বাধীনতার কথা বলে নাটকটি মঞ্চস্থ করবেই এই কথা বলে। এর উত্তরে মুসলিম জাহানের খলিফা আব্দুল হামিদ ফ্রান্স সরকার কে জানিয়ে দিলেন– “তোমরা যদি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে নিয়ে ঐ ব্যঙ্গাত্মক নাটকটি মঞ্চস্থ করো তাহলে আমি তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষনা দিব। আমরা তোমাদের দুনিয়াকে বরবাদ করে দিব।” খলিফার এ কথা শুনে ফ্রান্স সরকার রাসূলুল্লাহ ﷺ কে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক নাটকটি আর মঞ্চস্থ করার সাহস পায় নি। আর আজকে খিলাফত বিলুপ্ত হবার পর প্রায় ১০০ বছর হতে চললো। এর ভিতরে পশ্চিমা বিশ্বে কতবার রাসূলুল্লাহ ﷺ কে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে, কত অশ্লীল কার্টুন আকা হয়েছে তার ইয...
  ইসলাম কাকে বলে? ইসলাম একটি আরবী শব্দ। শব্দটির অভিধানিক অর্থ অনুগত হওয়া, আত্মসমর্পন করা, আনুগত্য করা, শান্তির পথে চলা ও মুসলমান হওয়া। ইসলামের পারিভাষিক সংজ্ঞা হলো - আল্লাহর অনুগত হওয়া, আনুগত্য করা ও তার নিকট পূর্ণ আত্মসমর্পন করা। বিনা দ্বিধায় আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলা এবং তার দেওয়া বিধান অনুসারে জীবন যাপন করা নামই ইসলাম। যিনি ইসলামের বিধান মেনে জীবন পরিচালনা করবেন, তিনি মুসলিম বা মুসলমান। ইসলাম ধর্ম আল্লাহপাকের মনোনীত একমাত্র দীন । একটি পূর্ণাঙ্গ ও পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এ ব্যবস্থার আলোকে একজন মুসলাম জীবন যাপন করতে সক্ষম। ইসলামে রয়েছে সমাজ, রাষ্ট্র ও অর্থ ব্যবস্থা। এমনকি আরো রয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিমালা। মানব চরিত্রের উৎকর্ষ সাধন, ন্যায়নীতি ও সুবিচারর ভিত্তিক শান্তি-শৃঙ্খলাপূর্ণ গতিশীল সুন্দর সামজ গঠন ও সংরক্ষণে ইসলামের কোনো বিকল্প নেই। পবিত্র কুরআনে আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, ‘ইসলামই আল্লাহর একমাত্র মনোনীত দীন।’ (সূরা : আল ইমরান, আয়াত : ১৯) অন্য আয়াতে আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, ‘কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো দীন গ্রহণ করতে চায়; তা কখনো কবুল করা হবে না।’ (...
  প্রেমরোগ সিরিজ (পর্বঃ ২) ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ) যখন বিয়ে করতে মনস্থির করেন তখন তার চাচিকে বলেন, ওই শায়েখের বাড়িতে দু'জন বিবাহযোগ্য মেয়ে আছে, আপনি তাদের দেখে আসুন এবং তাদের সম্পর্কে আমাকে জানান। চাচি মেয়ে দুটিকে দেখে আসার পর ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের কাছে তাদের বর্ণনা দিতে শুরু করলেন। তিনি বাড়ির ছোট মেয়ের ব্যপারে অনেক প্রশংসা করলেন। ফর্সা চেহারা, তার চোখ ও চুলের সৌন্দর্য,দীর্ঘতা বর্ণনায় পঞ্চমুখ হলেন। ইমাম আহমদ তখন তাকে বড় মেয়েটির ব্যাপারে বলতে বললেন। বড় মেয়েটির ব্যাপারে তিনি অনেকটা তাচ্ছিল্যের সঙ্গে কথা বললেন। অবিন্যস্ত চুল, খর্বকায় উচ্চতা, শ্যাম বর্ণ এবং একটি চোখে ক্রটি থাকার কথা উল্লেখ করলেন। এরপর ইমাম আহমদ তাকে দুজনের দ্বীনদারির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন। জবাবে চাচি বললেন, বড় মেয়েটি দীনদারির দিক থেকে ছোট মেয়ের তুলনার বেশ এগিয়ে। একথা শুনে ইমাম আহমদ বললেন, তাহলে আমি বড় মেয়েটিকেই বিয়ে করব। বিয়ের ত্রিশ বছর কেটে যাওয়ার পর ইমাম আহমদের স্ত্রী মৃত্যুবরণ করলেন। দাফনের সময় ইমাম আহমদ বললেন, "ইয়া উম্মে আবদুল্লাহ! মহান আল্লাহ তোমার কবর শান্তিময় রাখুন। দীর্ঘ ত্রিশ বছরের বৈবাহিক জীবনে আমা...